লোহাগাড়া উপজেলা ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের বিভিন্ন তথ্যকে ‘তথ্যগতভাবে অসত্য ও একপেশে’ বলে দাবি করেছে উপজেলা ভূমি প্রশাসন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেনের পাঠানো এক লিখিত প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভূমি অফিসে সেবা গ্রহণে তদবির ও অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হয় বলে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ বা দালিলিক উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়নি।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, প্রতিবেদনে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নামে যে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকের সঙ্গে তার কোনো কথোপকথন হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে।
একইসঙ্গে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত কয়েকজন কর্মচারীর বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ভূমি অফিস। দপ্তরের দাবি, প্রতিবেদনে যাদের বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে অন্তত একজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের কোনো ধরনের কথা হয়নি।
এছাড়া সার্ভেয়ার-কাম-কানুনগো নূরে আলমের বিষয়ে বলা হয়, একজন সাংবাদিক তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ব্যক্তিগত মন্তব্য না করে অফিস প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
লোহাগাড়া উপজেলা ভূমি অফিসের দাবি, যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ফলে সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।
এ ঘটনায় প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জনসম্মুখে তুলে ধরে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চার আহ্বান জানিয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস।